স্টাফ রিপোর্টার: মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মনসুর এর মানবিকতায় মানসিক ভারসাম্যহীন শান্ত ফিরে পেল তার পরিবার। শান্তকে বৃহস্পতিবার জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলায় পাওয়া যায়। ওই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা তার নিজ হাতে তার নাম শান্ত, পিতা ওয়াহেদ, মাতা পারুল, গ্রাম কুড়িপাড়া, পোঃ চেচুয়া বাজার, থানা মুক্তাগাছা এবং বলে আমি আমার পরিবারের কাছে যেতে চাই। ওই মেলান্দহ উপজেলার বাসিন্দা আরিফ হাসান আকাশ নামে সচেতন এক যুবক “এনামুল হক” ফেসবুক আইডির মেসেঞ্জারে ওই মহিলার হাতে লেখা ঠিকানা ও ছবি পাঠান। তারপর সে আমাকে +8809696020587 এই নাম্বারে ফোন করে বিস্তারিত জানান এবং এর পরিবারের কাছে পৌছানো জন্য অনুরোধ করেন। এর পেক্ষিতে “এনামুল হক” ফেসবুক আইডি থেকে মহিলার হাতে লেখা ঠিকানা ও ছবিসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্ট করি। সেটা মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মনসুর এর নজরে আসে এবং ফেসবুকে ছবি দেখতে পেয়ে দুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন আলী হুসির মাধ্যমে মহিলাটির পরিবারকে বিষয়টি জানান। পরে বৃহস্পতিবার বিকালে মহিলাটির পরিবার থেকে লোকজন মেলান্দহে আশিক নামে সেই ছেলেটির মাধ্যমে এসময় চেয়ারম্যানের সাথে আলাপ আলোচনা/যাচাই-বাছাই করে তার ছোট বোন জামাই জুলহাস নামে এক ব্যক্তির হাতে তোলে দেন এবং তার পরিবারের কাছে পৌছিয়ে দেন। তারই আপন ছোট বোন মনিরা শান্তকে বুঝিয়া পাইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন এর আগেও একবার আমার বোন শান্ত হারিয়ে যায়, তাকে সরিষাবাড়ী থেকে নিয়ে আসা হয়। এবার ২/৩ মাস আগে আমার বোন নিখোঁজ হন। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়যা চ্ছিলো না তাকে।গত বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) মেলান্দহ উপজেলা থেকে তাকে নিয়ে আসা হয়। আপনাদের মাধ্যমে শান্তকে আমাদের মাঝে ফিরে পেয়ে আমি ও আমার পরিবারের সবাই খুশি বিষয়ে মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মনসুর জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুককে মানসিক ভারসাম্যহীন এ মহিলাকে দেখে তার পরিবারের কাছে পৌছিয়ে দিতে পারছি এতে আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া। মানুষের সেবা করাই আমাদের কাজ । ওই মহিলা আমার মাধ্যমে তার পরিবারের কাছে ফিরে যেতে পেরেছেন। এতে আমি অনেক আনন্দিত।


0 Comments